যাকে তুমি ছেড়ে দেবে, তাকে একবারে ছেড়েই দাও। খুব সোজা বাংলায় তাকে বলে দাও- "তুমি চলে যাও, তোমাকে আমার দরকার নেই"।
দিনের পর দিন একটা মানুষ কে একটু একটু করে Ignore করার কোনো মানে হয় না । ভদ্রতা বজায় রাখতে গিয়ে তিলে তিলে কাউকে কষ্ট দেয়াটা খুবই বাজে একটা কাজ ।। যে এটার মুখোমুখি হয় সেই একমাত্র বোঝে কতোটা কষ্ট এটা মেনে নিতে।
তার চেয়ে বরং অভদ্র হয়ে সোজা সাপটা বলে দাও। ঝুলিয়ে রেখো না তাকে...।। হয়তো সে সাময়িক কষ্ট পাবে কিন্তু একটা সময় নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে।

একটা মানুষ টানা ফোন করে যাচ্ছে তোমাকে সকাল বিকাল, তোমার খোঁজ নিচ্ছে। তুমি দেখেও না দেখার ভান করে ফোনটা বিছানায় ফেলে রাখছো ।
রিং বেজে যাচ্ছে ...🎶
মেসেজ আসছে, এসএমএস না দেখে এড়িয়ে গেলে। হয়তো তুমি তার এসএমএস না দেখে অন্য কারো সাথে Busy বা অন্য কাউকে নিয়ে Busy...হয়তো তুমি অন্য কারো চিন্তায়, অন্য কারো কল্পনায় উদাসীন...।।
আর যে মানুষটি তোমাকে Continue Call, SMS- দিয়ে যাচ্ছে সে তোমার চিন্তায় অস্থির হয়ে ছটফট করচ্ছে..।। একটি বারও কি তার জায়গায় নিজেকে দ্বাড় করিয়ে দেখেছো কেমন লাগতে পারে তার, কতোটা কষ্টের অনুভূতি নিজে নিজে সহ্য করে ছটফট করছে...??  

যখন তার মুখোমুখি দেখা হলো--
হাসি মুখে খুব ভালোমানুষি করে বললেঃ
"আমি অসুস্থ ছিলাম, খারাপ লাগতেছিল, ফোন silent ছিল, ঘুমিয়ে পড়েছিলাম আর কিছু অজুহাত।
তাই ফোন ধরা হয় নি, মেসেজ চেক করি নি। Sorry"

ঐ মানুষটা তোমার মুখের হাসি দেখে কষ্ট ভুলে ভরসা পেলো, কষ্ট সব ভুলে গেলো...।। তোমাকে কাছের মানুষই ভেবে বসে থাকলো...।। মনে মনে তোমায় নিয়ে স্বপ্নের পাহাড় গড়ে তুললো।
অথচ তুমি তো তাকে কাছের মানুষ ভাবো না। তুমি দূরে দূরে থেকে কাছের মানুষ হওয়ার অভিনয় করছো মাত্র...।।
কাজটা করা ঠিক না তোমার..একদমই ঠিক না। এটা অন্যায়...।।
যদি পাশেই না থাকো তাহলে দয়া করে "পাশে আছি" বলে কাউকে মিথ্যা ভরসা দিয়ো না...।। সরাসরি বলে দাও সত্যটা...।।

তুমি নিজেও জানো না, তুমি একজন ঠান্ডা মাথার খুনি...।।
মিথ্যে আশা দিয়ে, অপেক্ষায় রেখে রেখে শেষে তুমি একটা মানুষকে মানসিক ভাবে খুন করছো..।। সে মানসিক ভাবে কতোটা ভেঙ্গে পড়ছে দিন দিন তা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না...।।

দিনের পর দিন কারো মনে তোমার জন্য বিন্দু বিন্দু মিথ্যে Expectation- জমতে দিয়ে এক সময় সেই Expectation- এর সমুদ্রে তাকে ডুবিয়ে মারার কোন অধিকার তোমার নেই...।। তাকে মানসিক ভাবে মেরে ফেলে কি লাভ হবে তোমার, কি সুখ পাবে তুমি...?? কিন্তু তার অনেক ক্ষতি হবে। এমনো হতে পারে তার জীবনে আর সুখ নামের জিনিসটাই আর আসবে না, হারিয়ে যাবে স্বপ্ন নামের জিনিসটা, হারিয়ে যাবে সুখ।
নিজেকে প্রশ্ন করোতো একটি বার...।। তোমার সাথে একই ঘটনা যদি ঘটে, তুমি তার জায়গায় আর সে তোমার যায়গায়...তখন তোমার কেমন লাগবে ভেবে দেখতো একটি বার।।

এখন তোমার জন্য কেউ অপেক্ষা  করে আছে,  কেউ তোমার খোঁজ নেয়ার জন্য পাগল হয়ে আছে বলেই তুমি তাকে Ignore করার সুযোগ পাচ্ছো।
কারো দুর্বলতার জন্য তাকে অবহেলা করার এই সাহস টুকুই একদিন তোমার ভয়ের কারণ হবে...।


প্রতিটি মানূষের চুড়ান্ত কিছু আবেগের স্থান থাকে, থাকে প্রচন্ড দুর্বলতা। কিছু সময় এই দুর্বলতা ভয়াবহ আকার ধারন করে। যা প্রতিটি মূহূর্ত মানূষ তার মনের মধ্যে লালন করে, তা যদি সংঘবদ্ধ ভাবে প্রকাশ করা হয় তবে তা হয়ে যেতে পারে উপন্যাস, হতে পারে কবিতা।
কিছু সময় আসে যখন আমরা এমন কিছু আবেগ, অনুভুতি প্রকাশ করি যা নিজে ব্যাতীত অন্য কারো কাছে এর মূল্য নেই। তোমার ভাললাগা, খারাপলাগা, আবেগ, অনুভূতি যার জন্য তার কাছে যদি তোমার এই আবেগ, অনুভূতির কোন মূল্য না থাকে তাহলে সেই সময়টা বড়ই কঠিন হয়ে যায়, খুবই অসহায় লাগে। যার জন্য তোমার সব কিছু, যার উপস্থিতি জুড়ে তোমার অস্তিত্ব, তোমার পথ চলা সেই মানুষটাই যদি তোমাকে না বোঝে, তোমার অনুভূতি না বোঝে তাহলে সেই সময়টার চেয়ে কঠিন সময় আর হতে পারে না। যার কাছে তোমার ভাললাগা, খারাপ লাগার কোন মূল্য নেই তার কাছে নিজের মূল্যটা শূনের কোঠায়। মাঝে মাঝে এমন মনে হবে যে তার জীবনে তোমার থাকা আর না থাকা একই কথা।

কথা গুলো একটু অন্য ভাবে বলি...

তোমার কাছে যে মানুষটা তার ভাললাগা, খারাপ লাগা, আবেগ, অনুভূতি প্রকাশ করচ্ছে তার সেই আবেগ, অনুভূতির মূল্য যদি তুমি না দিতে পারো তাহলে সে তোমার সাথে বা তোমার জীবনে থাকা বা না থাকা একই। তার অনুপস্তিতিতে কোন প্রভাব পড়বে না তোমার জীবনে। তার উপস্থিতি যদি তুমি বুঝতে না পারো, তার অনুপস্থিতিতে তোমার মনে শূন্যতাও সৃষ্টি হবে না। যদি তার অনুপস্থিতে তাকে নিয়ে তোমার মনে কোন দাগ নাই কাটে, যদি তার জন্য কোন শূন্যতার সৃষ্টি নাই হয়, যদি তার অভাব নাই বুঝতে পারো তবে ভেবে নাও সে তোমার জীবনের কেউ না। তাকে তুমি জীবনের কোন অংশেই রাখোনি...।।

যে এই শূন্যতা অনুভব করে একমাত্র সেই বোঝে শূন্যতা কি, অনুভূতি কি...।। জীবনের কোন মূল্য তথনই থাকে যখন এর মূল্য হিসাবে আবেগ গুলোর মূল্য থাকে।

কষ্ট দেখা যায়না, না ছোঁয়া যায় কিন্তু অনুভব করা যায় আবেগ দিয়ে। যে আবেগই আমাদেরকে সুখী করে আবার কষ্ট দেয়। সে আবেগের মূল্য অনেক যা কেনা যায়না, না যায় বেঁচা, আবেগ শুধু অর্জনের, অনুভূতি শুধু উপলব্ধির...।।



পৃথিবীতে কেউই পারফেক্ট নয়। নদীর ওপারের ঘাস বেশি সবুজ এটা ভাবার কোনো কারন নেই। মানুষের হাতের পাঁচ আঙ্গুল যেমন সমান হয় না, তেমনই প্রতিটা মানুষ, মানুষের ধরণ, মানুষের মন এক নয়। 
কেউ কেউ নিজের ভাললাগা, খারাপ লাগা, কষ্ট গুলো খুব সহজেই হর-হর করে বলে দিতে পারে। নিজের কষ্টের কথা অনেক উপায়ে, অনেক অঙ্গ-ভঙ্গীতে প্রকাশ করতে পারে। আবার অনেকেই আছে যারা হাজার কষ্ট পেলেও মুখ ফুটে বলতে পারে না, বলতে পারে না যে সে কতোটা কষ্ট পেয়েছে, মনে কতোটা আঘাত লেগেছে। তবে সেও কষ্ট পায় অনেক বেশি কষ্ট পায় কিন্তু সে কখনোই চায় না যে তাকে কষ্ট দিলো, যার কারণে কষ্ট পেলো তাকে বুঝতে দিতে, জানতে দিতে। কষ্ট পাওয়ার পর সে চুপ হয়ে যায়, একদম চুপ, স্তব্ধ হয়ে যায়। কিন্তু বাহিরে কিছুই প্রকাশ পায় না, কখনো পাবেও না। শুধু তার মন-ই জানে কতোটা কষ্ট, আঘাত সে পেয়েছে। 
কষ্টের কথা প্রকাশ করে কি হবে যদি সে নাই বোঝে যে তার কথার জন্য, তার ব্যবহারে সে এতোটা কষ্ট পেয়েছে। 
আমাদের মাঝে চিন্তা ভাবনায় একটু ভুল আছে। যারা খুব সহজে মনের কথা, নিজের কথা, নিজের কষ্টের কথা প্রকাশ করতে পারে আমরা তাদের ভাবি তাঁরাই একমাত্র Emotional-, তাদেরই একমাত্র মন আছে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে আসলেই কি তাই...?? এমনো তো হতে পারে সে Acting-করছে, এমনো তো হতে পারে সে Just-আপনাকে দেখানোর জন্য কাজ গুলো করছে। আসলে মানুষ যা প্রকাশ করে সেটাকেই আমরা বেশি গুরত্ব দেই, আসল সত্যটা কি সেটা খুব কমই লক্ষ্য করি। সে বাহিরে যা প্রকাশ করছে আর তার মনে কি আছে এই দু'টো জিনিস খুব কমই মিলানোর চেষ্টা করি। 

"আমি তাদের দলে যারা প্রকাশ করতে পারে না বা জানে  না...।।"

প্রকাশ করাটাই কি সব...!!?? যে মানুষটা প্রকাশ করতে পারলো না তার কি মন নেই...?? তার কি কষ্ট হয় না...?? তার কি কান্না পায় না...?? নাকি সে মানুষই না...?? তার মনও আছে, কষ্টও হয়, কান্নাও পায় কিন্তু সে তা সবার সামনে প্রকাশ করতে ইচ্ছুক না। এমনকি যে মানুষটা তাকে কষ্ট দিলো, কথা শুনালো তার সামনেও না। 
একটু লক্ষ্য করলেই দেখতে পাবেন আপনি একটু আগে যে কথাটা এই মানুষটাকে বললেন বা যে ব্যবহারটা করলেন তার জন্য হয়তো সে কান্না করেছে যা আপনি দেখেন নি বা সে আপনাকে দেখাতে চায়নি। শুধু এ জন্য যে আপনিও হয়তো কষ্ট পাবেন, আপনারও হয়তো মন খারাপ হয়ে যাবে। একটু পর সেই মানুষটাই যখন আপনার সামনে এসে হাঁসি মুখে কথা বললো আর আপনি ভেবে নিলেন যে তার কিছুই হয় নি, কষ্টও লাগেনি !!! এই ভাবনাটাই সব চেয়ে বড় ভুল। আপনি যদি সত্যি বোঝার চেষ্টা করতেন যে সে কষ্ট পেয়েছে কিনা বা কতোটা কষ্ট পেয়েছে তাহলে একটু লক্ষ করলেই দেখতে পেতেন তার গলার স্বর ভেজা, তার চোখের দিকে একটু তাকালেই বুঝতে পারবেন তার চোখ লাল, চোখ দু'টো ভেজা, সে আপনার দিকে তাকিয়ে কথা বলতে পারচ্ছে না। আপনার সামনে এসে হাসি মুখে কথা বলার আড়ালে তার কান্নাটা আপনার চোখ দেখলো না। এই মানুষ গুলোর হাসির আড়ালে যে কতো কষ্ট লুকায়িত থাকে তা আপনি বুঝতে পারবেন না বা বোঝার চেষ্টাও করবেন না কখনো। এই মানুষ গুলো বাহিরে যতোটাই কঠিন দেখাক না কেন, ভিতরে খুবই নরম, খুব বেশিই কোমল। তাদের মনে আঘাত পেলেও তাঁরা হাঁসি মুখে কথা বলতে জানে। এই মানুষ গুলো জানে কিভাবে কষ্ট লুকোতে হয়, নিজেকে আড়াল করতে হয়, এই মানুষ গুলোর কষ্ট সহনীয় ক্ষমতা অনেক বেশি।
এই মানুষ গুলোই সবার চোখে  Hard Type,  Emotional Less-মানুষ হিসেবে সু-পরিচিত থাকে। কেউ জানে না তাদের মনে কতোটা Emotion-রয়েছে। আবেগ সব সময় প্রকাশ করা যায় না বা পায় না। এই মানুষটা হয়তো এটা ভাবে যে কেউ একজন তার না বলা কথা, অপ্রকাশিত চোখের ভাষা বুঝবে... 






চেনা মানুষ অচেনা হওয়াটা যতোটা'না স্বাভাবিক তার চেয়ে বেশি অস্বাভাবিক লাগে আমার কাছে। প্রতিদিন আমি একটু একটু করে মানুষ চিনি, আর অল্প অল্প করে বড় হই। আজব এ শহরে মানুষের যে কত রূপ, কত রঙ্গ যে জানে সেই মানুষ গুলো...!!

অনেক দিনের চেনা মানুষ টিকেও হঠাৎ কেমন যেন অচেনা লাগে, তার কথায়-ব্যবহারে টাকে চেনা যায় না । আবার অল্প ক'দিনের পরিচিত মানুষটিও কেমন মুহূর্তেই আপন করে নেয়, আপন হয়ে যায়। বিপদে যার এগিয়ে আসার কথা সবার আগে, তাঁকে অনেক সময় খুঁজে পাওয়া যায় না আশেপাশে। যাকে কখনোই আশা করেন নি, তাঁকেই হয়তো পেয়ে যেতে পারেন কষ্টের দিনে। সেই আপনার চোখের জ্বল মুছে দিবে, কষ্টে পাশে থাকবে, মুখে হাঁসি ফোঁটাবে আর যদি কাউকে না পান, দেখবেন নিজের মাঝেই অন্য এক আমির অস্তিত্ব টের পাবেন। এই আমিত্বটা স্রষ্টার দান। যার কেউ নেই, তাঁর জন্যও মনে হয় কেউ একজন থাকেন। কিন্তু আমরা তা বুঝি না, আমরা তা অনুভব করতে পারি না। কেউ একজন আছেন, কেউ একজন থাকবেই।

কেউ কেউ মানুষকে কষ্ট দিয়ে পৈশাচিক আনন্দ পায়। বিপদে হাত না ধরে কষ্ট দিতেই যেন পছন্দ করে, কষ্টে পাশে না দাঁড়িয়ে দূর থেকে উপহাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। অনেক ক্ষতি করার পরেও যখন সে দেখে, ক্ষতিগ্রস্থ মানুষটি তারপরেও খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে এগিয়ে চলেছে, তখন সে ঈর্ষান্বিত হয়। নিরীহ মানুষটির সাময়িক কষ্ট হয়, কিন্তু একদিন সে-ই কিন্তু জয়ী হয়। একটা সময় সেই কিন্তু সব চেয়ে বেশি শক্তিশালী হয়, মনের দিক থেকে একটা সময় সব চেয়ে কঠিন হয়। এতো বেশি কঠিন যে পাথরকেও যেন হার মানায়।

যে মানুষটা একটা সময় একটুতেই কষ্ট পেতো, একটুতেই চোখে জল গড়িয়ে পড়তো সেই মানুষটা হোঁচট খেতে খেতে উঠে দাঁড়ায়, কষ্টকে বস্তা বন্ধী করে পাথর করে মনে রেখে দেয়। পাথরও হয়তো একটা সময় ভাঙ্গে, গলে যায় কিন্তু এই মানুষটার মন গলে না। কারণ এই মনটা কষ্টে লালিত, নিঃসঙ্গতার চাদরে পালিত, মিথ্যা কথায় মন ভাঙ্গনের সুতোয় গড়া...।।

এই মনটা কি এতোটা পাথর হতো যদি চেনা মানুষ চেনাই থাকতো...!!?? যদি হাতটা কেউ বাড়াতো, যদি কষ্টের মাঝে, একা থাকার মাঝে একটু কেউ ভরসা দিতো, কেউ একজন সঙ্গী হতো পথ চলার...!!

একা চলা কষ্টের কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আছে, যারা শত বাধা অতিক্রম করে একা একাই ছুটে চলে। হয়তো আপনার আশেপাশেই আছে সে। আপনিই হয়তো কোনো কোনো ক্ষেত্রে কোনো না কোনোভাবে তাকে আঘাত করেছেন, হয়তো তার পাশে না দাঁড়িয়ে দূর থেকে দেখেছেন। হয়তো আপনিও কোনো সময় তার কষ্টে হেসেছেন, সে ভালো করলেও উৎসাহ না দিয়ে আড়ালে হেসেছেন। তার দুঃখে কষ্ট না পেয়ে হেসেছেন, মজা নিয়েছেন।

এই অদম্য মানুষ গুলি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হতাশ হয়ে পড়ে কিন্তু কখনোই হাল ছাড়ে না। জীবন যুদ্ধে এরা খুবই বাস্তবতাবাদী, সাহসী, কর্মঠ। পরাজিত এরা কখনোই মেনে নিতে পারে না। কিন্তু কিছু সময় এরা হতাশ হয়ে পড়ে, একা একা বোধ করে, নিঃসঙ্গতা ঘিয়ে ধরে। কারণ, এদের পাশে কেউ দাঁড়ায় না। কোন একটা সময় তাঁরা কারো সঙ্গ চায়, তার হাতে একটা হাতের স্পর্শ চায়, সেই হাতের সাহস চায়। কেউ পাশে আসে না, কেউ হাত ধরে সাহস দেয় না, কেউ এসে হাতটি ধরে কিছুদূর এগিয়ে দেয় না। একটিবার জানতে চায় না, সে এইবেলা খেয়েছে কিনা, তার আজ মন খারাপ কেন, তার মনের ইচ্ছা গুলো কি, মনের নীরব কষ্ট গুলো কি...!!? তার হাসিমুখের আড়ালে নিরব কান্নার জল কেউ দেখে না। তার একাকীত্বতা, নিঃসঙ্গতা কারো চোখে পড়ে না।।

আমি এই মানুষটির দলে। আমি জানি, এর কতো কষ্ট মনে।


জীবনটা সম্পর্কের মায়া জালে আবদ্ধ। এই মায়া জালটাই সম্পর্কটাকে বাঁচিয়ে রাখে, জীবনের অক্সিজেন, জীবনের বেঁচে থাকার প্রেরণা।
জীবনে তুমি নামের অনেক গুলো সম্পর্ক থাকে। তবে একটা বিশেষ তুমি জীবনটায় অনেক আলাদা অর্থ বহন করে। সে হয়তোবা প্রথম থেকেই পরিচিত থাকে না, হুট করে খুবই আচমকা এসে আঙুলের ফাকা জায়গা গুলো পূরণ করে দেয় বা হয়তো আগে থেকেই পরিচিত থাকে কিন্তু হুট করে এসে তুমি নামের অর্থটার নতুন রুপ দেয়। এই তুমি নামের সম্পর্কটার অনেক গুলো বিশেষায়িত দিক থাকে। যাকে অন্য সবার থেকে আলাদা মনে হয়, যে কখনোবা মন খারাপের কারণ হয়, কখনোবা আনন্দ জলে স্নান করায়, কখনোবা গুণ গুণ করে গান গাওয়ার কারণ হয়, কখনবা উদাস মনে একলা পথে হাটার কারণ হয়।

জীবনে তার আবির্ভাবে অগোছালো সব নিয়ম গুলো শৃঙ্খল হয়ে উটে। সাদা-মাটা স্বভাব গুলো সব বদলে যেতে শুরু করে। তুমি করে ডাকা মানুষের অভাব হয় না, কিন্তু এই একটা বিশেষ তুমিতেই যেন সব ভালোলাগা আটকে থাকে, এই তুমিতেই যেন সব খুশি লুকায়িত থাকে। এই তুমির সব পছন্দ গুলো পছন্দের আর অপছন্দ গুলোও নিজের অপছন্দের তালিকায় জায়গা করে নেয়। একসময় ভালো না লাগা জিনিসটাও হয়ে উঠে অতিপ্রিয়, কখনো কোনদিন মুখে না নেওয়া খাবারটাও যেন তখন অনেক সুস্বাদু। তখন নিজের প্রতি অন্য কারো জন্য হলেও একটু অতিরিক্ত কেয়ার চলে আসে, নিজের মাঝে অন্য কারো অস্তিত্ব অনুভব করে। রাস্তায় হঠাৎ করে কারো সাথে ধাক্কা খেলে নিজের দোষ না হলেও সরি বলে চলে আসতে ইচ্ছে করে, কোনদিন ফুলের সুভাষ না নেওয়া মানুষটারও ফুলের দোকান দেখলে সব গুলো ফুল কিনে নিতে ইচ্ছে জাগে, পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া বকুল ফুলের মালা নিয়ে যাওয়া লোকটির কাছ থেকে সব গুলো মালা কিনে ফেলতে ইচ্ছে করে। রেস্টুরেন্টের দামি খাবার গুলোর থেকে রাস্তার পাশের ফুসকা আর চটপটি গুলো খেতে বেশি ভালো লাগে। হাতের মোবাইলটা তখন হয়ে উঠে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস, সবসময়ের খোলামেলা স্বভাবটায় একটা প্রাইভেসি চলে আসে। পরীক্ষার খাতায় নিজে থেকে দুই লাইন লিখতে না পারা ছাত্রটাও তখন কবিতা লিখতে শিখে যায়।

সবকিছুতেই একটা পরিবর্তন আসে। পছন্দের রঙে পরিবর্তন আসে, আইসক্রিমের ফ্লেভারে পরিবর্তন আসে, সাচ্ছন্দে পরা কাপড়টায় পরিবর্তন আসে, চুলের কাটে পরিবর্তন আসে, সেভ করা মুখে দাড়ি গজায়, হাটার Style-এ পরিবর্তন আসে...।। এই সব কিছুই সেই একটা বিশেষ তুমির কারণে। এই তুমিটাই তার জীবনের আল্লাদ, ইচ্ছা, পূর্ণতা, জীবনের রং...।। এই তুমিটার জন্যই মানুষ বেঁচে থাকে, বেঁচে থাকার আশা জাগায়, জীবন স্বপ্ন দেখে...।।



প্রতিটা মানুষের জীবন-ই ভিন্ন, প্রতিটা মানুষের জীবনের কথা ভিন্ন।
আমি যে সব সময় Impulse / Emotional-এর উপরে চলি তা কিন্তু না। তবে আমি অতি মাত্রায় Emotional- এটা সত্য।
কাজে-কর্মে, চিন্তাভাবনায় আমি শুধু যে গোছানো তা নয়, অসম্ভব গোছানো। পান থেকে চুন খসা যাবে না এই type-এর গোছানো। ১৯-২০ হওয়া যাবে না, ১৯ হলে ১৯-ই, ২০ হলে ২০-ই। আকাশ কুসুম চিন্তা করা কখনোই ছিল না, যা এখনও নই। হয়তো হবে, হয়তো থাকবে, হয়তো / যদি এই Word গুলো আমার Dictionary-তে নেই। হয় হবে আর নয়তো না। সব সরল রেখায় হতে হবে, হতে হবে বললে ভুল হবে। হতেইই হবে...তাল মিলানো স্বভাবটা খুবই অপছন্দ, হ্যাঁ তে হ্যাঁ আর না তে না তাল মিলাতে পারি না। "হ্যাঁ" তে "না" আর "না" তে "হ্যাঁ" বলতে পারি দেখে বেশির ভাগ মানুষের কাছেই অপছন্দের পাত্র। কখন কী করবো, কতক্ষণ করবো তা আগে থেকেই ঠিক করে রাখা। Confusion-, দোটনা কখনোই কাজ করে না। কাজ করবো বলেছি মানে কাজটি আমি করবোই, করতেই হবে। দু'বার ভাবার সময় নেই। কাজটি করতে কতোটা ধকল, কষ্ট পোহাতে হবে সেটা কোন বিষয় নয়... কঠিন রুটিন। সময় ভাগ করা...
তারপরোও হঠাৎ হঠাৎ কেন জানি মাথা এলোমেলো হয়ে যায়। হঠাৎ কেমন যেন কিছু জিনিস সরল রেখা থেকে বাকা পথে চলে যায়। এতো কঠিন রুটিন থেকে কিভাবে যেন কিছু ছুটে যায়, কিছু জিনিস এদিক-সেদিক হয়ে যায়। মাঝে মাঝে উদ্ভট একেকটা কাণ্ড করে বসি। কোনো সুস্থ মাথার মানুষ যা কখনো করবে না।
মাঝে মাঝে এলোমেলো হতে ইচ্ছে করে...।।

সকলের সাথে আমার মিশি না, সকলের সাথে আসলে আমাদের মন মিশার ইচ্ছা প্রকাশ করে না। আপন সকলকে ভাবা যায় না, তাই আপন মানুষের সংখ্যা কম। সবাই আপনত্বের অধিকার পায়না, সবাই আপন হতে পারে না।
"যত ঝগড়া আর রাগারাগি সব কাছের, আপন মানুষের সাথেই হয়। একটা মানুষ যত বেশি তোমার সাথে মিশবে, তুমি যতো বেশি তার সাথে মিশবে,  দিনের পর দিন তোমার প্রতি ঐ মানুষটার Expectation  একটু একটু করে বাড়তে থাকবে । একটা সময় তুমি যখন তার কাছের মানুষ হয়ে যাবা, নিজের মানুষ হয়ে যাবে,  মানুষটা তোমার কাছ থেকে নিজের অজান্তেই অনেক বেশি Expect করা শুরু করবে ।।
খুব সকালে ঘুম ভাঙতেই মানুষটা Expect করবে, তুমি তার খোঁজ নিবে, তোমার ফোনেই তার ঘুম ভাঙ্গুক, ভোরের “শুভ সকালটা” তাকে বলেই শুরু হোক।। এই সময়টায় তোমার সামান্য নীরবতাই তখন তাকে ভয়াবহ রাগিয়ে দিবে। মানুষটা নিজেও জানবে, সে সামান্য ব্যাপারেই তোমার উপর বেশি রাগ করে ফেলেছে, অনেক কথা শুনিয়ে ফেলেছে। সে সব জানবে, বুঝবে কিন্তু মানবে না । হয়তো অনেক সময় তার এই রাগ, অভিমানটা নিজের মাঝেই রেখে দিবে প্রকাশ করবে না। সব দোষ ঐ " Expectation " এর ।।
পুরো পৃথিবীর সবাই ব্যস্ত থাকুক, সমস্যা নেই। কিন্তু তুমি ব্যস্ত থাকলে তার পৃথিবীটাই উলটে যাবে, সে অস্থির হয়ে যাবে।সে তোমার এই ব্যস্ততা মেনে নিতে পারবে না। মানুষটা মনে প্রাণে চাইবে, শত ব্যস্ততার মাঝেও তুমি তাকে সময় দাও, তার একটু খোঁজ নাও, তার সাথে একটু কথা বলো। সেই চাওয়া যখন পূরণ হয় না, তখনই কষ্ট হয় ... ভীষণ কষ্ট ...।। এই কষ্টের কোন নাম নেই, এই কষ্ট বুঝানো যায় না। সে যে কষ্ট পেতে পারে, তার যে খারাপ লাগতে পারে এটা তোমাকেই বুঝতে হবে, বুঝে নিতে হবে...।।
কারণ ছাড়াই যে মেয়েটা বা ছেলেটা তোমার উপর রাগ দেখায়, তাকে ভুল বুঝো না। একটু উনিশ-বিশ হলেই যে ছেলেটা বা মেয়েটা তোমার উপর মন খারাপ করে বা, Over-React করে, তাকে দূরে ঠেলে দিও না ।। এই মানুষটার কাছেই তুমি সব চেয়ে ভালো থাকবে, সুখি থাকবে।
কারো "কাছের মানুষ" হওয়াটা সহজ ব্যাপার না। চারপাশের হাজার হাজার মানুষের মাঝে কেউ একজন তোমাকেই খুব আপন ভাবে, তার একটুখানি অত্যাচার সহ্য করতে পারবে না তুমি ?? তোমাকে যে আপন ভাবে তার চেয়ে তুমি বেশি Lucky একটু ভেবে দেখো। কারণ, হাজার হাজার মানুষের ভিড়ে তোমাকেই সে আপন ভেবেছে, আপনত্ব দিয়েছে।।
অন্যান্য সব অত্যাচারের ভেতর যন্ত্রণা মেশানো থাকে, কিন্তু কাছের মানুষের অত্যাচারের ভেতর ভালোবাসা মেশানো থাকে ...।। এই ভালোবাসা অনেক দামী, অনেক খাঁটি...।।

আমাদের জীবনের ভাললাগা- খারাপ লাগার বেশির ভাগই নিজের চেয়ে অন্যের উপর নির্ভর করে। খুব ছোট্ট কোন কারনেই মন খারাপও হয়ে যায় আবার খুব ছোট্ট কোন কারনেই মন ভালো হয়ে যায়। এই ভালোলাগা, খারাপ- লাগাটা কিন্তু নিজের উপর নির্ভর করে না। সময় ভেদে মানুষও পরিবর্তন হয়।
বাল্যকালে ভাললাগা-খারাপ লাগা বাবা-মা, ভাই-বোনের উপর নির্ভর করে, আসতে একটু বড় হওয়ার সাথে সাথে বন্ধু-বান্ধব যোগ হয়। সময় বাড়তে বাড়তে যদি সে কাউকে ভালোবেসে ফেলে তখন তার এই ভালোলাগা-খারাপ লাগাটা নির্ভর করে ঐ ভালোবাসার মানুষটির উপর আর বিবাহিত জীবনে নির্ভর করে স্ত্রী, সন্তানের উপর, পুরো পরিবারের উপর।

যখন আপনার ভালোলাগা খারাপ লাগাটা আরেকটি মানুষের উপর নির্ভর করবে তখন আপনার সব কিছুই অন্য একজনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবে। তখন আপনার মাঝে আপনি থাকলেও আপনার মনকে Control-করবে অন্য একজন মানুষ। এই সময়টা তখন হয় যখন আপনি কাউকে ভালবেসে ফেলবেন, মনের মনি কোঠায় তাকে জায়গা দিবেন, কাউকে মন থেকে বন্ধুত্বের সর্বোচ্চ আসনে বসাবেন।

একটা সময় আপনি বুঝতে পারবেন ঐ একটা মানুষের জন্যই আপনার চিন্তা হচ্ছে, ঐ মানুষটাকে নিয়েই আপনি ভাবছেন, ঐ মানুষটা ভালো থাকলে আপনিও ভালো আছেন, ঐ মানুষটার ছোট্ট বিপদের কথা শুনেই আপনি অস্থির হয়ে যাচ্ছেন, ঐ মানুষটার অনুপস্থিতির মুহূর্তই আপনাকে সবচেয়ে বিষন্নতা, মন খারাপের চরম পর্যায়ে নিয়ে যায়। ঐ একটি মানুষের একটু উপস্থিতিতে আপনার মুখে হাঁসি ফোটে, মনে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। যখন আপনার খুব বেশি মন খারাপ থাকবে খেয়াল করে দেখুন তখন আপনার ঐ মানুষটার কথাই মনে পড়বে, ঐ মানুষটার কথাই ভাববেন। মন খারাপের সময় প্রিয়জনের কথাই প্রথমে মনে পড়ে, বেশি মনে পড়ে।

যার উপর আপনার ভাললাগা-খারাপ লাগা, আপনার মনের হাঁসি কান্না নির্ভর করে সে আর কেউ নয়, আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষ। এ রকম অনুভূতি সবার জন্য আসে না, সবার জন্য আসা সম্ভবও নয়।
যখন নিজের ভাললাগা, খারাপ লাগা আরেকজন মানুষের উপর নির্ভর করে তখন খুব কম সময়ই ভালো থাকা হয়। কারণ, হয়তো তাকে আপনি বুঝাতে পারেন না যে তার জন্য আপনার আজ মন খারাপ, হয়তো সে বুঝেও অবুঝ হয়ে থাকে, হয়তো তার এই কথা - ব্যবহারের জন্য যে আপনার মন খারাপ হতে পারে সেটা সে বুঝতেই পারেন না বা গুরত্বই দেয় না। তখন অনেকটা কাঠের পুতুলের মতো অবস্থা হয়।

কারো জন্য যদি আপনার মনে শূন্যতা সৃষ্টি হয়, তার অনুপস্থিতি যদি আপনার মনকে অস্থির করে তোলে, শূন্যতার সৃষ্টি করে তাহলে বুঝে নিবেন সে আপনার অনেক কাছের, অনেক আপন একজন মানুষ। সেই একমাত্র মানুষ যার উপস্থিতিতে আপনি ভালো থাকবেন, হাজার মানুষের ভিড়েও আপনি যে একাকীত্বে ভুগতেন সেই একজন মানুষের উপস্থিতিতেই একাকীত্ব দূর হবে। ভালোথাকাটা এই একটি মানুষের হাত ধরেই, এই মানুষটাকে ঘিরেই। আপনার মনের প্রবাহ, গতিবেগ এই মানুষটাকে ঘিরেই।

আপনার অনুপস্থিতিতে যখন আরেকজন মানুষের মনে আপনার জন্য অসীম শূন্যতার সৃষ্টি হয় তখন বুঝে নিবেন আপনি পৃথিবীতে সবচেয়ে ভাগ্যবান/ভাগ্যবতী একজন মানুষ।
"He or She really Care about You, Your emotion and badly Care about your Single Moment."

কিছু বিষয়, কিছু কথা আমরা মনের চোখ দিয়ে দেখি না, বিবেকের চোখ দিয়ে দেখি না কিন্তু সেই বিষয়টাই যদি বিবেকের চোখ দিয়ে দেখা হতো তাহলে ফলাফল অনেক ভালো কিছুই হতে পারতো।
যার হাত ধরে আপনি বিপদে থেকে মুক্তি পেলেন, যে আপনার অন্ধকার পথের সহযোগী, যার জন্য আপনি নিজেকে নতুন ভাবে উপস্থাপন করতে পারলেন, অন্ধকার থেকে আলোর মুখ দেখলেন সেই মানুষটাকেই আপনি আজে-বাজে কথা শুনিয়ে দিলেন, মিথ্যা কিছু অপবাদ, অভিশাপ দিয়ে দিলেন কিন্তু আদৌ কি সে এগুলো পাওয়ার মতো ছিল...!!! কথা গুলো তাকে বলার আগে একবার কি ভেবেছেন কাকে কথা গুলো বলচ্ছেন, মানুষটা কে...?? এই মানুষটাই কিন্তু সেই মানুষটা যে মানুষটা আপনার সব চেয়ে কষ্টের, বিপদের মুহূর্তে পাশে ছিল, আপনার কান্না ভেজা চোখে হাঁসি ফুটিয়েছে। এই মানুষটাই আপনাকে বারবার টেনে তুলেছে যখন আপনি বারবার হোঁচট খেয়ে পড়ে যাচ্ছিলেন।।হয়তো ভুলে গিয়েছেন...
মানুষ বড়ই ভুলোও মনো, খুব সহজেই অতীত ভুলে যায়।।
যে মানুষটাকে আপনার সর্বোচ্চ সন্মান দেওয়া উচিত ছিল, সেই মানুষটাকেই আপনি অসন্মান করে বাজে কথা বললেন।। আপনার কি মনে হয় আপনি তার কাছ থেকে সন্মান পাবেন। তার কথা বাদ-ই দিন, অন্য কারো কাছ থেকে কি কখনো সন্মান পাবেন...!!! কখনোই না...।। যাকে সবচেয়ে বেশি সন্মান দেওয়া উচিত ছিল সেই মানুষটাকেই আপনি সন্মান দিতে পারলেন না তাহলে ঐ মানুষটা বা অন্য কারো কাছ থেকে কিভাবে ভালো কিছু বা সন্মান আশা করেন...!!?? নিজেকেই একটু প্রশ্ন করে দেখুন...

জীবন এতো সোজা নয়।। আপনি তার জন্য কিছু করতে না পারলেও তাকে অন্তত আপনার ছোট করা উচিত নয়, তাকে অপমান করা উচিত নয়। At least-তার প্রতি আপনার কৃতঞ্জতা স্বীকার করা উচিত ছিল। জীবনের কোন একটা সময় হয়তো আপনি ঠিকই বুঝতে পারবেন সেই মানুষটা আপনাকে কতোটা সামনের দিকে এগিয়ে দিয়েছে, যার জন্য আপনি বর্তমানে দাঁড়িয়ে আছেন কিন্তু তা বর্তমানে আপনি বুঝতে পারচ্ছেন না। আচ্ছা, যখন আপনি বুঝতে পারবেন তখন ঐ মানুষটার কাছে আপনার ব্যবহারের জন্য  Sorry-বলার জন্য তাকে খুঁজে পাবেন তো, Sorry-বলার সময় পাবেন তো...??
মনে রাখবেন জীবনের মোড় ঘুড়তে সময় লাগে না...।।

MARI themes

Powered by Blogger.