স্বপ্ন নিয়েই জীবন, স্বপ্নের মাঝেই জীবন। আমি এক স্বপ্ন কথক, চলেছি অজানার উদ্দেশ্যে। আমার কিছুই বলার নেই। তারপরেও, অনেক কিছুই বলতে ইচ্ছে করে। কিন্তু বলার সাহস পাই না। অসীম শূন্যতার মাঝে সামনের দিকে চলা একাকী এক পথিক। আমার আমিকে নিয়ে সামনে চলা,এক নিরন্তরের পথে। হাজারো মানুষের ভিড়ে একজন মানুষ, এখনো জীবনের উদ্দেশ্য খুঁজে পাইনি। বেঁচে আছি, বেঁচে থাকতে হয় বলে। আমি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা স্বপ্ন খূঁজে ফিরি, স্বপ্নেই খুঁজে বেড়াতাম নিজেকে। ঘুমহীন চোখে স্মৃতির রাজ্যে নিরন্তর অনেক ঘুরে বেড়িয়েছি ।কখনো কখনো খুঁজে পেয়েও আবার হারিয়ে ফেলেছি। গন্তব্যহীন পথে উদ্ভ্রান্ত পথিকের মতই আপাতত ঘুরপাক খাচ্ছি।

এক সময় নিজেকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন দেখতাম। স্বপ্ন দেখতে দেখতে স্বপ্নের মাঝে গা ভাসিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখলাম আমি মিথ্যে স্বপ্নের পাহাড়ে দাঁড়িয়ে আছি। জীবনের এই মুহূর্তে এসে হিসেব করে দেখলাম, পাওয়ার চেয়ে, না পাওয়াই বেশি। আশারা তাচ্ছিল্যভরে তাকিয়ে থাকে, আর নিরাশাও মুখ ফিরিয়ে নেয় চরম নির্মমতায়। আশা পূরণের আনন্দে আপ্লুত হয়ে উচ্ছ্বসিত কথোপকথনকে আজ আমার বাতুলতা মনে হয়। মনে হয় আশা শুধুই বৃথা। সব মিলিয়ে জীবন যেন দিন দিন মরুভূমি হয়ে যাচ্ছে। চারিদিকে ধূলো বালি,তপ্ত,উত্তপ্ত। এই আমি খুঁজে বেড়াই সামান্য মেঘ, সামান্য বৃষ্টি। আমি আজ হতাশ,আমি আজ ক্লান্ত।


তারপরেও, প্রতিনিয়ত পথ হাঁটছি জীবনের প্রয়োজনে। অভিনয় করে যাচ্ছি ভালো থাকার। প্রতিনিয়ত শিখছি একটু একটু করে। ভীষণ ছোট্ট একটা জগত আমার। তবুও, পথ চলি অবিরাম। নতুন কোন সুন্দর আলো ঝলমলে সোনালী প্রভাতের প্রতিক্ষায়।

সব কিছু সহ্য করতে পারলেও আমি কষ্ট একদম সহ্য করতে পারি না। আমার যেটা ভালো লাগে না, আমি যেটা চাই না সেটাই আগে হয়। কারো চোখের পানি দেখলেই আমারও চোখে পানি চলে আসে। কারণে অকারণে নিজেই কেঁদে ফেলি। কষ্ট গুলো কেনও এমন..?? কষ্ট গুলো কেনও কষ্ট দেয়। ইদানিং মনে হচ্ছে, আমি কষ্টের বেড়াজালে আটকা পড়েছি। মাঝে মাঝে মনে হয় কষ্টকে ঘিরেই আমি। আবার মনে হয়, আমার সব কিছু ঘিরেই কষ্টরা। কোন কিছুতেই মন বসাতে পারছি না। কোন কারণ ছাড়াই কিছু ভালো লাগে না, মন খারাপ হয়ে যায়। এই মন খারাপ, ভালো না লাগার কারণ কি...?? লাইফের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে তাকালে সত্যি নিজের প্রতি নিজের করুণা হয়। এভাবে সময় গুলো কাটাতে হবে কখনো চিন্তাই করিনি, ভাবনাতেও আসে নি কখনো। কিছু কথা মনে হলে আরও বেশী কষ্ট লাগে। নিজেই নিজের কাছে সান্ত্বনা খুঁজে বেড়াই। কিন্তু সে সান্ত্বনা চোখের জল ফেলেই শেষ হয়, সান্ত্বনা আর খুঁজে পাই না।

সময় কখনোই আমার কথা শুনে না। শুধু সময় না, আজ কাল মনটাও আমার কথা শুনে না। আজকের এই সময়ে মনটা ভীষণ পরিমাণ খারাপ হয়ে আছে। সারাটা দিন ক্লাস, কুইজ, প্রেজেন্টেসান, ফাইনাল...সব মিলিয়ে ব্যস্ততায় কেটে গিয়েছিলো কিন্তু শেষ বিকেলে এসে মনটা ভয়ানক খারাপ হয়ে গেলো। আমি ভাবতেও পারিনি এমনটি হবে। হয়তোবা এমনই হওয়ার কথা ছিলো। সমস্যাটা তো আমারই, আমি কেনও এমন...?? আমি জানি না, আমি কেনও এমন...!! আমি কখনোই চাই না আমার জন্য কেউ কষ্ট পাক বা আমার জন্য কেউ বিপদে পড়ুক বা বিব্রত হউক। কিন্তু হয়তো আমার কিছু সমস্যাই তাদেরকে বিপাকে ফেলে দেয়। এজন্য আমি তাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থী। যদিও এটা আমার দোষ না।

জীবনটাকে নিয়ে এমনি বড় বিপাকে, অসস্থিতে আছি। তার উপর মাঝে মাঝে ছোট খাটো বড় ঝড় এসে সেটাকে আরও এলোমেলো করে দিয়ে যায়, এমনিতেই তো এলোমেলো...।। সেটা কাটিয়ে উঠতেই হয়তো আবার এসে হাজির হয়। এভাবেই চলছে ভাঙা গড়ার খেলা। জীবনটাকে মাঝে মাঝে খুব তুচ্ছ মনে হয়। আবার যখন প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্যে হাসি আনন্দে ভরে যায়, তখন মনে হয় ঠিক তার বিপরীত। মনে হয় জীবনটা যদি এভাবে পার হয়ে যেতো। কিন্তু না...জীবন কি আর আমার কথা চলে...???!!! আমার কথায় চললে হয়তোবা আরও একটু ভালো থাকতে পারতাম। না..., আর ভালো লাগছে না। আর ভালো থাকা হলো না...।।


মানুষের জীবনটা কেন এরকম হয়..?? কেন মানুষ নির্মম নিয়তির কাছে বারবার হেরে যায়..?? কেন একজন মানুষ অন্য একজন মানুষের হাতের খেলনা হয়..?? মানুষ কেন জীবন যুদ্ধে হেরে যায়..??

আমি জীবন যুদ্ধে হেরে যাওয়া একজন মানুষ। জীবনের কাছে পরাজিত হয়েছি বারবার, মনের কাছে হেরে গেছি বার বার। যারা ষাড়ের লড়াই দেখেছেন তারা হয়তো জানেন, লড়াইয়ে হেরে যাওয়া ষাড়টা থাকে রক্তে রঞ্জিত, আহত ক্ষত বিক্ষত প্রচন্ড ভাবে। হেরে যাওয়া সে ষাড়টাকে বাজারে বিক্রি করে দিতে হয় কম দামে কিংবা জবাই করে বিক্রি করতে হয় তার মাংস। আমার অবস্থা এখন হেরে যাওয়া ষাড়টির চেয়েও করুণ। আমি রক্তাক্ত, আহত প্রচন্ড ভাবে। তবে সেটা শারীরিক ভাবে নয়, মানসিক ভাবে। মানসিক জিনিসটা খুব Sensitive ....

আমার সব কিছুই খুব নিপুণ ভাবে গুছানো। বাড়ির দরজা থেকে শুরু করে সব কিছুই অনেক সুন্দর ভাবে গুছানো, সব আমার নিজ হাতে গোছানো, অগোছানো কিছুই নেই। অগোছানো কিছুই আমার ভাললাগে না। কিন্তু আমার জীবন টাই অনেক বেশি অগোছানো। যেটা সব চেয়ে বেশি গোছান দরকার সেটাই অগোছানো। তাই আমার জীবন টাও এখন ভাললাগে না, খুব বেশি অতিষ্ট লাগে, খুব বেশি বিরক্ত লাগে জীবনের প্রতি, নিজের প্রতি। অনেক চেষ্টা করতেছি কিন্তু কোন ভাবেই গোছাতেই পারতেছি না। হয়তো আর কখনোই গোছানো সম্ভব হবে না, হয়তো অসমাপ্ত-ই থেকে যাবে।
কি হবে এই শুন্যে ভরা জীবন দিয়ে, কি হবে এই অগোছালো জীবন দিয়ে...???

ভাবছিলাম লিখব না। কিন্তু মনটা অনেক খারাপ। লিখে যদি মনটা ভালো হয়...সেই কাল থেকে ভীষণ মন খারাপ, অনেক অনেক বেশি। কিন্তু আমার মন খারাপের কোন কারণ খুঁজে পাচ্ছি না। মন খারাপ অথচ কারণ নেই !!! আসলে কারণ নেই তা না, কারণ আছে কিন্তু সে কারণ টা  ভিত্তিহীন, অর্থহীন। কেন এমন হয়...জানি না।।  একটা অর্থহীন সময়, অর্থহীন জীবন, যার কোন কূল খুঁজে পাচ্ছি না।
জীবন যাত্রার পথ পাড়ি দিতে গিয়ে কত কষ্টের মরুভূমি চলতে হয় তার কোন ইয়ত্বা নেই, নেই কোন দিগন্ত। দুঃখ-কষ্টের সীলা জীবনের ক্ষনে ক্ষনে বর্ষিত হয়, কোন সময় হয় মহাপ্লাবন। আর সেই প্লাবন-এ ভেসে যাই অজানা সীমানায়। জীবন একটা চেঁপে রাখা কষ্টের নাম কষ্টে ভরা বুকটা ফেটে যেতে চায়। ভীষণ পানির তৃষ্ণা পায়, ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া মাটির মত। সেই তৃষ্ণা আর মিটে না, তৃষ্ণা ভরা বুকে বেঁচে থেকেও মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হয়।
জীবন যেন কষ্টের এক চিলে কোঠা... যেখানে বসবাস কষ্টের ...শুধু-ই কষ্টের...।।

জীবন যে সাত রং-এ রাঙা ছিল তা না, তবুও  জীবন থেকে রঙ হারিয়ে গেছে। সাত রঙেতে আঁকা স্বপ্ন সব-ই
ধূলোয় মিশে একাকার। সেই সপ্ন গুলো আর স্বপ্ন হয়ে আমার চোখে আসে না। আলো আঁধারের জীবনে হারিয়ে গেছে জীবনের আলো। আলোটা না পেয়ে ভালোবাসি তাই রাতের কালো। সেই ছোট থেকে আলোহীন জীবন, আজ তাই আরেকটু বেশি কালো।। হারিয়ে গেছে ঠোঁটের কোণে হাসি, হাসতে ভুলে গেছি। সবাই দেখে সুখে আছি, ভালো আছি। খুব গোপনে আমি দুঃখে ভাসি, ভিতরটা কেউ দেখে না। মনের কথা, স্বপ্ন, আশা গুলো মনে জমা রয়ে যায়। একটি সময় সেই জমানো কথা, স্বপ্ন, আশা গুলো মনের গভীরে কবর দেই, নিজের হাতে মেরে ফেলি। মেরে ফেলতে একটুও কষ্ট হয় না, একটুও না।  চোখের ভাষা হারিয়ে জমেছে কঠিন নীরবতা। হারানোর শেষ সীমানায় এসে আজ বেঁচে থাকার আশাটা হারিয়ে ফেলেছি।। সব ছেড়ে লুকাতে চাই অজানা প্রান্তে।।

আমি অতি সাধারন একটা মানুষ ...

পৃথীবির প্রতিটি মানুষের কিছু আশা-আকাঙ্কা থাকে, থাকে সীমাহিন স্বপ্ন।
যেখানে সে তার জীবনকে সাজায় একান্তই তার নিজের মতকরে। আমারো তেমন একান্ত কিছু স্বপ্ন আছে, যায় কোন টাই প্রকাশ করতে ইচ্ছা হয় না।
জীবনের  প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসেব মেলানোর চেষ্টা কখনো করিনি, হিসেব মিলিয়ে কি হবে...!! যা পেয়েছি তাতো পেয়েছিই, আর যা পাই নি তাতো নাই-ই। যেকোনো মুহুর্তকে সহজে গ্রহন করার মানসিকতা লালন করি আমি, জীবনকে সব সময় বুঝতে চেষ্টা করেছি অতি-স্বাভাবিক ভাবে। সব কিছু সহজ ভাবে গ্রহন করার মানসিকতা থাকলেও আমিতো বুঝি ভিতরের অবস্থাটা কি...!!!
বন্ধুরা বলে আমি নাকি বিপদেও স্থির, শান্ত। কষ্ট পেলেও হাসতে জানি, পাশের মানুষ টিকে বুঝতে না দিয়ে চলতে জানি।। পাশের মানুষটি বুঝলো না এটা তার ব্যর্থতা।। যা ঘটলো আর যা ঘটমান তা আমার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হয়, মনে হয় এরকম ঘটার-ই ছিল।।
মানুষ যখন যা করে তার অনেক টাই হয়তো ঐ সময়ে ভেবে করে না। কারো অতীত দিয়ে তার বর্তমানকে মূল্যায়ন করা অনুচিত। কিন্তু আমরা সব সময় এটাই করে থাকি।

কোন এক কবি বলেছিলেন- "যার মুখোশ যত সুন্দর, পৃথিবীর কাছে সে তত আকর্ষণীয়"।। পৃথিবীর কাছে আমি কেমন তা এখনো জানি না, জানতে পারবো বলেও মনে হয় না। তবে কবির বক্তব্য অনুযায়ী- পৃথিবীর মানুষ গুলোর কাছে আমি মোটেই আকর্ষনীয় কেউ নই, আমার প্রধান দূর্বলতা আমার "মুখোশ"।। সে এতই নিম্ন পর্যায়ের যে, যা করি বা যা-ই বলি সবই প্রকাশ্যে। যা সত্য মানি, যা মিথ্যা বুঝি তার কিছুই মুখোশে লুকাতে পারি না। লুকাতে পারি না নিজের আন্ত সত্বা কে।।


ভালবাসা কি...?? অনেক সময় এর সংজ্ঞা জানতে ইচ্ছা করেছে, কিন্তু পাই নি।
ভালবাসা একেক জনের কাছে একেক রকম। একেক জন, একেক ভাবে ভালবাসে। তাই কারো সাথে কারো ভালবাসার সংজ্ঞার মিল হয় না।
ভালবাসার কোন সংজ্ঞা হয় না। ভালবাসা বুঝতে হয়, ভালবাসা বুঝাতে হয়।

মাঝে মাঝে আমার অদ্ভুত ভাবে ভালবাসতে ইচ্ছে করে, অদ্ভুত ভাবে ভালবাসা পেতে ইচ্ছে করে।
ইচ্ছে করে কোন এক কুয়াশা ঢাকা দিনে বা হালকা বৃষ্টি ভেজা দিনে তার সামনে গিয়ে দাঁড়াবো। তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবো কিছুক্ষণ, কতক্ষণ তাকিয়ে থাকবো তা জানি না। তার পর চলে আসবো। চোখে চোখে ভালবাসা আদান- প্রদান হয়ে যাবে, মুখে বলবো না।

আমাদের কথা হবে চিঠির মাধ্যমে। আমি তাকে চিঠি লিখবো, সে আমাকে চিঠি লিখবে। আমার চিঠির অপেক্ষায় পথ-পানে চেয়ে থাকবে, অপেক্ষার দিন গুনবে। তার পর একদিন আমার চিঠি পেয়ে খুশিতে আত্ন হারা হয়ে দু-চোখের নোনা জল ফেলে আমার চিঠির উত্তর দিবে। নোনা জলে চোখের কাজলে লেপটে যাবে গাল আর সেই কাজল কালো চোখের পানির ফোঁটা পরবে প্রতিটা চিঠির পাতায়।
তার ফোন ভাঙবে আমার ঘুম, শুরু হবে তার সাথে নতুন একটি দিন। নতুন করে ভালবাসা প্রতিটি দিন।
"নিঃস্বাপ তার ভালবাসা, নিঃস্বাপ তার মন। চোখের পানিতে ভিজে যাবে আমার দু-নয়ন।।"




বিঃদ্রঃ সবই কাল্পনিক। বাস্তবে এর কোন রূপরেখা নেই।। এখনকার এই আধুনিক যুগে এ রকম আদিম যুগের ভালবাসা কল্পনাতেই পাওয়া সম্ভব, বাস্তবে না।।




জীবনের সব কিছু নিজে নিজে তৈরী হয় না, না চাইতেই পাওয়া যায় না।
"প্রেমে পড়া" এবং "ভয় পাওয়া" - এই দুটো অনুভূতি যখন একই সাথে বুকের ভেতর তৈরি হয়, তখন সেই প্রেম-টুকু কখনোই ভালোবাসায় পরিণত হয় না ।।
"প্রেমে পড়া" নামক ব্যাপারটা অনেকটা মাছের কাঁটার মত। হুট করে গলায় বিঁধে যায়,  তারপর যতবার-ই মানুষটা চোখের সামনে আসে, ততবারই ওটা খচ করে গলার ভেতরটায় আঘাত করে।।
কাঁটার আঘাতের ভয়েই মানুষটাকে কখনো মুখ ফুটে বলা হয় না কথাটা ।। অথচ ভয় না পেলে গল্পটা অন্য রকম হতে পারতো ।। সব কিছু শুনে মানুষটা খুব যত্ন করে এক মুঠো ভাত নিজ হাতে খাইয়ে দিলেই গলার কাঁটাটা সারা জীবনের সরে যেতে পারতো।। কিন্তু ঐ যে ভয়...।।
"না থাকুক, না বলাই থাক" - বলে তুমি স্বেচ্ছায় হেরে গেছো ।। একটু হাসি দিয়ে বলছো, "আরেহ ভালোই তো আছি "। আসলেই কি ভালো আছো...!!!
সবাই বলে, জীবনটা গল্পের মত সুন্দর না ।। আমি বলি, জীবনটা গল্পের চেয়েও সুন্দর।। শুধু চাওয়ার অপেক্ষা, চাইতে হয়।। তুমি চাইলেই তোমার গল্পটা অন্যরকম হতে পারে,  শুধু তুমি পা বাড়ালেই নতুন একটা পথ তৈরি হতে পারে ।। কিন্তু আমরা এই চাওয়া টাই মুখ ফুটে চাই না।।
সামনের পথের বাঁকে হারিয়ে যাওয়ার ভয় পেয়ে থেমে যাওয়া মানে জীবনের কাছে হেরে যাওয়া। এক সময় টের পাবে "হারিয়ে যাওয়া"-ই ভালো ছিল ।। "হেরে যাওয়া" আফসোসের,  ভীষণ ভীষণ আফসোসের।। জীবনে এমন কিছু বাকি রাখা যাবে না যা পরবর্তীতে আফসোসের জন্ম দেয়, সারা জীবন একটা আফসোস নিয়ে বাঁচতে হয়।।
বুকের ভেতর অদ্ভূত একটা আফসোস আর একটু খানি চাপা যন্ত্রণা লুকিয়ে রেখে বেঁচে থাকা যায় ঠিকই ।। কিন্তু, এমন ভাবে বেঁচে থাকার নাম বাঁচা না, এটার নাম জীবন না...।।

পৃথিবীর সব কিছু তোমার পছন্দ হবে না,  পৃথিবীর সব গান তোমার শুনতে ইচ্ছে হবে না, । পৃথিবীর সব কবিতার ছন্দ তোমার জীবনের সাথে মিলবে না ... পৃথিবীর সব কথা তোমার ভালো লাগবে না।। সব মানুষ কে তোমার সহ্য হবে না ।। সব উপদেশ তোমার কাজে লাগবে না ... সবার মানসিকতা তোমার সাথে মিলবে না।।
যা ভালো লাগে না, Ignore করো , আস্তে করে Skip করো ।।একটা গান ভালো লাগে নাই, শুনো না সেই গান। Delete করে দাও Play List থেকে, সমস্যা তো নেই।। কিন্তু গানও শুনবে, আবার গান কে দশটা গালি দিয়ে চিৎকার করবে, অভিযোগ করবে আবার অবহেলা করবে ... ব্যাপারটা মোটেই ভাল না ।।
সব অপছন্দনীয় জিনিসের একটা শান্তিপূর্ণ প্রতিক্রিয়া আছে। সেই প্রতিক্রিয়ার নাম  চুপচাপ এড়িয়ে যাওয়া।। ইংরেজিতে বলা হয়ঃ "SILENTLY IGNORING"
সব অপছন্দনীয় জিনিসের একটা অশান্তিপূর্ণ প্রতিক্রিয়া আছে।। সেই প্রতিক্রিয়ার নামঃ "অযথা চিল্লাপাল্লা করা" ... সুন্দর ইংরেজিতে সেটাকে বলা হয়ঃ "WHINING" অসুন্দর ইংরেজিতে বলা হয়ঃ "BITCHING"
চাইলেই চারপাশের অনেক কিছুই এড়িয়ে যাওয়া যায় ।।

MARI themes

Powered by Blogger.